1. voiceofnarayanagnj24@gmail.com : Salim Ahmed Dalim : Salim Ahmed Dalim
  2. info@ajkerdeshkantho.com : Rabbi630 :
শণিবার রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁ হানাদার মুক্ত দিবস - Ajker Deshkantho
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন

শণিবার রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁ হানাদার মুক্ত দিবস

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁও হানাদার মুক্ত দিবস ১৩ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে রাজধানী ঢাকার কোল ঘেঁষা উপজেলা সোনারগাঁও ও রূপগঞ্জ হানাদার মুক্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীর তুমুল প্রতিরোধের মুখে পাক হানাদার বাহিনী এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর হানাদার মুক্ত হয় এই দুই উপজেলা।


রূপগঞ্জে ১৩ ডিসেম্বর হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে চার দিক থেকে ঘিরে ফেলে মুক্তিবাহিনীর সহযোগিতায় মিত্রবাহিনী। আগের দিন রাতে কুমিল্লার দিক থেকে আসা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে পরদিন দুপুর পর্যন্ত সম্মুখ যুদ্ধে হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হওয়ার পর আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেয়।

মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ (বীর-উত্তম) তার ‘এস’ ফোর্স ও মিত্রবাহিনী, তৎকালীন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল জাব্বার খানের পিনু গ্রæপ ও গফুর কমান্ডার নামে পরিচিত গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) গ্রæপ সহ প্রায় দুই হাজার মুক্তিযোদ্ধার বিশাল বাহিনী বিজয় পতাকা উত্তোলন করে রূপগঞ্জকে শত্রæমুক্ত ঘোষণা করে। মুড়াপাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাদে বিজয়ের পতাকা তুলে রূপগঞ্জকে শত্রুমুক্ত ঘোষণা করেন। ৯ মাসের এ যুদ্ধে রূপগঞ্জে ১১ বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। যাদের নামের তালিকাসহ রূপগঞ্জ উপজেলা চত্বরের একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ১২ ডিসেম্বর রাতেই মিত্রবাহিনী অবস্থান নেয় সোনারগাঁয়ে। মিত্র ও মুক্তিবাহিনীর সাঁড়াশি আক্রমণে টিকতে না পেরে পাক হানাদাররা তাদের দোসরদের রেখে পালিয়ে যায়। মুক্তিযোদ্ধারা ১৩ ডিসেম্বরকে সোনারগাঁ মুক্ত দিবস ঘোষণা করেন।

রাজধানী থেকে কুমিল্লার ময়নামতি ক্যান্টনমেন্ট ও চট্টগ্রাম বন্দরগামী ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়েটি মুক্ত করার জন্য ১৯৭১ এর নভেম্বর মাসে লাঙ্গলবন্দ সেতুর উপর অবস্থানরত পাক হানাদারদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সোনারগাঁয়ের অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধারা। পরবর্তী পর্যায়ে শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা অবস্থান নেয় পানামগামী রাস্তার দু’পাশে। সারাদিন ব্যাপী ওই যুদ্ধে শহীদ হয় মজনু মিয়া। তার সম্মানে সোনারগাঁয়ে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে “শহীদ মজনু সড়ক”।

পাক হানাদার বাহিনী যাবার প‚র্বে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় পিরোজপুর গ্রাম। নৃশংসভাবে হত্যা করে ওই গ্রামের ন‚রু মিয়া, আ. রহমান, ফজলুল হক, আবু মিয়া ও আয়েত আলীকে। সেদিন সোনারগাঁ কে শত্রæ মুক্ত করতে অংশগ্রহণ করেছিলেন মরহুম মোবারক হোসেন, কমান্ডার ন‚রু মিয়া বাচ্চু, ফুলু মিয়া, রুহুল আমীন বাদশাহ, জিয়াউল ফারুক, শফিউর রহমান, শফিকুল ইসলাম, ওসমান গনি, মনিরুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন, গোফরান, আ. হাই, মো. হোসেন, আজিজুর রাহমান, বাবুল হোসেন, মোহাম্মদ আলী সহ আরো অনেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি