নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালামের রাজনৈতিক সচিব, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাংসদপুত্র আবুল কাউছার আশার হুঙ্কারের ২ মাসের মাথায় অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন নবীগঞ্জের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গাজী।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে বন্দর থানা পুলিশ নবীগঞ্জ এলাকায় এক অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। গাজীর গ্রেপ্তারের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে দীর্ঘদিনের আতঙ্ক কাটিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে দীর্ঘদিন ধরেই সোচ্চার ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা আবুল কাউছার আশা। এর আগে তিনি ৩০ জন স্থানীয় এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে নবীগঞ্জ এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী গাজীর আস্তানায় চড়াও হন এবং তা গুঁড়িয়ে দেন। ওই ঘটনার পর থেকেই মাদক ব্যবসায়ী গাজী এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘ দিন আত্মগোপনে থাকার পর ২৮ জুলাই রাতে পুনরায় এলাকায় প্রবেশ করলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
উল্লেখ্য, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবে এর আগে গত ২৬ এপ্রিল বন্দরের ইস্পাহানি বাজারে আরেক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী রমজানের আস্তানায় (গ্যারেজ) স্থানীয়দের নিয়ে অভিযান চালান আবুল কাউছার আশা। ওই অভিযানের পর রমজানও এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে এক মাসের মাথায় এলাকায় ফিরে এসে নিজেকে বাঁচাতে বন্দর থানায় নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার নাটকের আশ্রয় নেয় রমজান, যার পরিণতিতে সে নিজেও বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। নবীগঞ্জের শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গাজী গ্রেপ্তার হওয়ায় বন্দর থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি আবুল কাউছার আশার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আশার সাহসী ভূমিকা ও ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অবস্থানের কারণেই আজ নবীগঞ্জ এলাকাকে মাদকমুক্ত করার পথে বড় সাফল্য এসেছে।