নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে নিজেদের পৈত্রিক বসতবাড়ি রক্ষায় ঐতিহাসিক আনন্দবাজার হাট সংলগ্ন মেঘনা নদীর বালু খেকোদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৩টায় উপজেলার আনন্দবাজার খামারগাঁও সরকারি বাড়ি মসজিদ সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীরে ৫ গ্রামের শতাধিক সাধারণ ভুক্তভোগী পরিবার মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সুফিয়া বেগম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বালুখেকুরা বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন ও স্থানীয় ব্যবসায়ী মুকুল শিকদারের নেতৃত্বে বালুকেটে আমাদের ফসলী জমি ও পৈত্রিক বসতবাড়ি গিলে খাওয়ার পায়তারা করছে। রাতের বেলায় চুরি করে বড়সড় যন্ত্র দিয়ে বালুকাটার সময় আমাদের ঘরবাড়ি কাঁপে তাই ভয়ে রাতে ঘুমাতে পারি না। ইতিমধ্যে বাড়ির সীমানা ভাঙ্গন শুরু হয়েছে।
ষাটোর্ধ ইউসুফ মিয়া বলেন, শেষ বয়সে বসতভিটার জন্য আন্দোলনে নামতে হচ্ছে এটা খুব দু:খজনক। অতিসত্বর মামুন চেয়ারম্যানকে বালুকাটা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান তিনি।
বালু ভরাট কাজে নিয়োজিত ড্রেজারের স্টাফ সাইদুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসন এসে আমাদের কাজ বন্ধ রাখার পর বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা জায়গা দেখিয়ে গেছে। বর্তমানে ঠিকাদার মোমেন শিকদারের নির্দেশে কিছু জায়গায় বালু ভরাট করা হচ্ছে।
মেঘনা নদী থেকে বালুকাটার বিষয়ে বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আনন্দবাজার মৌজায় ঢাকাস্থ একটি কোম্পানিকে আমি বেশ কিছু জমি কিনে দিয়েছি। কিন্তু এই জমিতে কে বা কারা বালু ভরাট করছে আমি তা জানি না। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গুলো ভিত্তিহীন।