1. voiceofnarayanagnj24@gmail.com : Salim Ahmed Dalim : Salim Ahmed Dalim
  2. info@ajkerdeshkantho.com : Rabbi630 :
গ্যাস বিস্ফোরণে ঝরলো ৮ প্রাণ - Ajker Deshkantho
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

গ্যাস বিস্ফোরণে ঝরলো ৮ প্রাণ

স্টাফ রিপোর্টার 
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস লিকেজ ও বিস্ফোরণের ঘটনায় একের পর এক লাশ হয়ে ফিরছেন দগ্ধরা। গত এক সপ্তাহে জেলার পৃথক তিনটি বিস্ফোরণের ঘটনায় একই পরিবারের পাঁচজনসহ মোট আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন সর্বমোট ২১ জন।

সবশেষ গত ১৩ মে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনাঘাট এলাকায় অবস্থিত জেরা মেঘনাঘাট পাওয়ার প্লান্ট সিলিন্ডার লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে প্রতিষ্ঠানটির ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী অগ্নিদগ্ধ হন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেয়া হয়। সেখানে ছয়জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হলেও বাকি ছয়জনকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে শংকর (২৫) নামে একজন মারা যান।

এর আগে ১১ মে ফতুল্লার কুতুবপুরের লাকী বাজার এলাকায় গ্যাস লিকেজ থেকে সৃষ্ট আগুনে বাবা-ছেলেসহ চারজন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে শুক্রবার (১৫ মে) দগ্ধ বাবা আব্দুল কাদেরের মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলে রাকিবও (১৬) মারা গেছে। শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে যাওয়া রাকিব রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিল।
বর্তমানে আব্দুল কাদেরের বাকি দুই ছেলে মেহেদী (১৭) ও সাকিব (১৬) আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে মেহেদীর ১৮ শতাংশ ও সাকিবের ১৭ শতাংশ শরীর পুড়ে গেছে।
নিহত রাকিব পেশায় একজন চটপটি বিক্রেতা ছিল। তার বাবা আব্দুল কাদের ছিলেন অটোরিকশাচালক। তাদের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উপজেলায়।

ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের ধারণা, রান্নার গ্যাসের লাইনের লিকেজ থেকে ঘরে গ্যাস জমা হয়ে এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণের সময় ঘরের দরজা ও জানালা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ঘটনার সময় আব্দুল কাদেরের স্ত্রী রান্নার পানি আনতে ঘরের বাইরে থাকায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
গত ১০ মে সকালে ফতুল্লার উত্তর ভূইগড় এলাকার গিরিধারা এলাকার একটি আটতলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে গ্যাস লিকেজ থেকে আগুন লাগে। এতে একই পরিবারের শিশুসন্তানসহ পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সবজি বিক্রেতা কালাম, তার স্ত্রী সায়মা, ১০ বছর বয়সী মেয়ে মুন্নি, ১২ বছর বয়সী ছেলে মুন্না এবং ৭ বছরের শিশু কন্যা কথার মৃত্যু হয়।

একের পর এক গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পুরো নারায়ণগঞ্জজুড়ে। সচেতন মহল বলছে, গ্যাস লাইন ও সিলিন্ডারের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি জরুরি হয়ে পড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি