নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পরিত্যক্ত একটি বাড়ি থেকে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর ব্যাংক কলোনি এলাকায় সৌদি আরব প্রবাসী মিঠু মিয়ার মালিকানাধীন দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত একটি বাড়ির ঘরের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা সালমান জানান, বিকেলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে এক অপরিচিত কিশোরকে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের সময় হত্যার বিষয়ে আলোচনা করতে শোনা যায়। এতে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তাকে অনুসরণ করে ওই পরিত্যক্ত বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে একটি কিশোরের মরদেহ দেখতে পান। পরে সন্দেহভাজন ওই কিশোরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে জানায়, ছয়জন মিলে ওই কিশোরকে হত্যা করেছে। এরপর তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এদিকে শহরের চাষাঢ়ায় ফেরী করে ফুল বিক্রি করা রোকসানা এসে লাশটি তার ছেলে হোসাইনের দাবী করেছেন। রোকসানা হাতের আঙ্গুল কাটা ও পায়ের জুতা দেখে লাশ সনাক্ত করেন। তবে পুলিশ বলছে, প্রযুক্তির মাধ্যমে লাশের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব আলম জানান, পরিত্যাক্ত বাড়ির মালিকের নাম কেহ বলতে পারেনা। লাশটি প্রায় ৪/৫ দিন আগের। শরীরের অনেকটা অংশ পচে গেছে। দেখে মুখের আকৃতি বুজা যায়না। এরমধ্যে রোকসানা নামে একজন নারী লাশটি তার ছেলে হোসাইনের (৯) দাবি করেছে। আমরা ওই নারীর নাম পরিচয় রেখেছি। চেষ্টা করছি প্রযুক্তির মাধ্যমে লাশের পরিচয় সনাক্ত করার।
ফুল বিক্রেতা রোকসানা জানান, বৃদ্ধা মা শিশু সন্তানসহ পরিবার নিয়ে ফতুল্লার তক্কারমাঠ এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সে শহরের চাষাঢ়া এলাকায় ফেরি করে ফুল বিক্রি করেন। প্রায় সময় ফুল বিক্রি করতে তার ছেলে হোসাইনকেও নিয়ে যান। ৫/৬ দিন যাবত তার ছেলে নিখোঁজ রয়েছে। লাশের হাতের আঙ্গুল ও পায়ের জুতা দেখে তার ধারনা এটা হোসাইনের লাশ।