1. voiceofnarayanagnj24@gmail.com : Salim Ahmed Dalim : Salim Ahmed Dalim
  2. info@ajkerdeshkantho.com : Rabbi630 :
আম্মাজানের ভ্যানগার্ড খ্যাত রবিউল এখনও প্রকাশ্যে - Ajker Deshkantho
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন

আম্মাজানের ভ্যানগার্ড খ্যাত রবিউল এখনও প্রকাশ্যে

বিশেষ প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

এক সময়ে নারায়ণগঞ্জ শহর ও বন্দরে ছিল প্রয়াত সংসদ সদস্য নাসিম ওসমান পতœী পারভীন ওসমান ও তার ছেলে আজমেরী ওসমানের রাজত্ব। সেই রাজত্ব টিকিয়ে রাখতে আজমেরী ওসমানের সাঙ্গপাঙ্গ ছাড়াও তার ছিলো এক বিশাল হোন্ডা বাহিনী। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর ছাত্র সমাজের সকল সদস্যই ছিলো তার অনুসারী। নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক রবিউল আউয়াল ছিলেন তার বেশ ঘনিষ্ঠজনের মধ্যে একজন। বিগত সময় রবিউল আউয়াল আম্মজান খ্যাত পারভিন ওসমানের প্রভাব খাটিয়ে বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নসহ তার আশেপাশের এলাকায় ইট ভাটা থেকে শুরু করে এলাকার বিভিন্ন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি করে এলাকার মানুষকে অতিষ্ঠ করে তোলেন। এতে রাতারাতি আঙুল ফুলে কলা গাছ বনে যান এই আউয়াল। তবে জুলাই বিপ্লবের পর আম্মাজান শহরে না থাকলেও এখনও আউয়াল রয়েছেন বহাল তবিয়তে। তার নিজ এলাকায় ব্যবসা বাণিজ্যে দেদারছে পরিচালনা করে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের এই দোসর রবিউল এবার মুছাপুর ইউনিয়নে মেম্বার হওয়ার খায়েশে নানাভাবে প্রচারণা চালিয়ে আসছে।

জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে নগরীজুড়ে ছিলো ওসমানদের প্রভাব। ওসমান পরিবারের প্রভাব খাটিয়ে তাদের অনুসারীরা নানা অপকর্ম করে বেড়াতো শহরজুড়ে। রবিউল আউয়াল পারভিন ওসমানের অনুসারী হওয়ায় তার প্রভাব খাটিয়ে নানা সময় তার নিজ এলাকায় বিভিন্ন অপর্কম করে বেড়াতেন। জমি দখল থেকে শুরু করে বিচার সালিশ করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া ছিল তার কাজ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত সময় তার ইট ভাটার ব্যবসা বিস্তার করতে পারভীন ওয়মানের প্রভাব খাটিয়ে তার এলাকা সহ আশেপাশের এলাকার লোকজনদের জোরপূর্বক তার ইট খোলা থেকে ইট নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করতো। অন্যান্য ইট খোলার ব্যবসায়ীরা তাকে বাধা দিলে তিনি সেসময় পারভীন ওসমানের প্রভাব খাটিয়ে ছাত্র সমাজের হোন্ডা বাহিনীকে খবর দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করতো। রবিউল আউয়াল নারায়ণগঞ্জ ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক হওয়াতে প্রায় সময়ই ছাত্র সমাজের জেলা ও মহানগরের নেতাকর্মীদের এলাকায় এনে নানা সভা সমাবেশ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এলাকায় তার প্রভাব বিস্তার করতেন।

অনুসন্ধান বলছে, রবিউল আউয়াল রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে ছিলো একজন সাধারণ ব্যবসায়ী। তবে তার ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে জাতীয় পার্টির অঙ্গসংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজে যোগ দেওয়ার পরে। তিনি শুরুতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর ছাত্র সমাজের সাথে সক্রিয় একজন কর্মী হিসেবে রাজনিতি শুরু করেন। পরে পারভীন ওসমান ও তার ছেলে আজমেরী ওসমানের সাথে ভালো সখ্যতা থাকায় অল্প দিনেই নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদকের পদটি লুফে নেন। এর পর থেকে আলাদিনের চেরাগ হাতে পেয়ে যান আউয়াল।

রবিউল আউয়াল তৎকালীন সময় ওসমান পরিবারের প্রভাব খাটিয়ে মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ( মেম্বার) নির্বাচন করেছিলেন। বর্তমানে এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় এবারও আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আউয়াল মেম্বার প্রার্থী হিসেবে নিজেকে ঘোষণা দিয়েছেন।
সূত্র অনুসারে, গত ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পরে শহর ছেড়েছেন ওসমান ও তাদের অনুসারীরা। ছাত্র সমাজের সকল নেতাকর্মী বর্তমানে আতœগোপনে থাকলেও রবিউল আউয়াল তার নিজ এলাকায় রয়েছে বহাল তবিয়তে। প্রকাশ্যে করে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে রবিউল আউয়াল আজকের দেশ কন্ঠকে জানায়, আমি ছাত্র সমাজের কমিটিতে এখনো রয়েছি। তবে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীপনার বিষয়ে কেউ প্রমাণ দেখাতে পারবেনা।
মেম্বার পদে নির্বাচন করার বিষয়ে তিনি বলেন, আগেও মেম্বার পদে নির্বাচন করেছিলাম। এবারও মেম্বার পদে নির্বাচন করবো

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি