নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, এই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। সিডিউল ডিক্লারের পর পরবর্তী দুই মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আশা করি, রমজানের আগে ও ফেব্রুয়ারী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবারের নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অবাদ ও সুষ্ঠু হবে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে সায়রা গার্ডেনে এক কর্মশালায় অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
নির্বাচনের বিশৃঙ্খলা হলে পুরো আসন বাতিল হতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পূর্বে কোন বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে প্রিজাইডিং অফিসার কেন্দ্র বন্ধ করতে পারবেন। রিটার্নিং অফিসার পুরো আসন বাতিল করতে পারবেন।
রিটার্নিং অফিসারকে অগাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নমিনেশন পেপার জমা দেওয়ার সময় হলফনামায় কোন তথ্য গোপণ করলে, প্রার্থী পাশ করার পরও তার পদবী বাতিল হবে। ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসারকে অগাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অফিসারকে অনেক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আর্মি (সেনাবাহিনী) কে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার (ক্ষমতা) দেওয়া হয়েছে।
সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘আশা করি, বাংলাদেশের ইতিহাসে একটা সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে কোন ধরনের শঙ্কা ও ভয় থাকবে না। একটা অবাদ সুষ্ঠ্র ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মো. হাসানুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. রায়হান কবির, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, উপসচিব মো. মোস্তফা হাসান সহ প্রমুখ।