পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘোষিত টানা ছুটির আগে রবিবার (২৪ মে) ছিল শেষ কর্মদিবস। সোমবার (২৫ মে) থেকে শুরু হচ্ছে ৭ দিনের ঈদ ছুটি। প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানী ও আশপাশের শিল্পাঞ্চল থেকে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা শুরু হলেও এখনো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁ অংশে স্বস্তির চিত্র দেখা গেছে। মহাসড়কে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক এবং বাসস্ট্যান্ডগুলোতেও চোখে পড়েনি অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ।
রবিবার (২৪ মে) দুপুরে মহাসড়কের কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ড, মদনপুর ও মোগরাপাড়া ঘুরে যাত্রীদের তেমন উপস্থিতি চোখে পড়েনি।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করছে। কোথাও দীর্ঘ যানজট কিংবা ধীরগতির পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। দূরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলোতেও ছিল স্বাভাবিক পরিবেশ। যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। ফলে স্বস্তিতে টিকিট সংগ্রহ ও যাতায়াত করতে দেখা গেছে সাধারণ মানুষকে।
কাঁচপুর মোড়ে সেন্টমার্টিন এক্সপ্রেস পরিবহনের কর্মী সুমন হাসান বলেন, ‘এখনো যাত্রীর চাপ তেমন নেই। তবে আজ রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে কিছুটা ভিড় বাড়তে পারে। মূল চাপ শুরু হবে সোমবার থেকে।’
ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বলেন, ‘শিমরাইল মোড়, সাইনবোর্ড, কাঁচপুর ও তারাবো এলাকায় ৩৮ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এখন পর্যন্ত যানজটের কোনো আশঙ্কা নেই।’
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ বলেন, ‘কাঁচপুর থেকে মেঘনা টোল প্লাজা, যাত্রামুড়া ও মদনপুর হয়ে এশিয়ান হাইওয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে প্রায় ১০০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন। জেলা পুলিশের সদস্যরাও মাঠে থাকবেন। আমাদের ৪টি মোটরসাইকেল ও ২টি নিয়মিত মোবাইল টিম মহাসড়কে থাকবে। যাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন বলে আমরা আশাবাদী।’
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও আরামদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে মহাসড়কে পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। সোমবার থেকে ১০টি মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করবে।’