1. voiceofnarayanagnj24@gmail.com : Salim Ahmed Dalim : Salim Ahmed Dalim
  2. info@ajkerdeshkantho.com : Rabbi630 :
রাষ্টীয় স্বীকৃতি মেলেনি ভাষাসৈনিকদের - Ajker Deshkantho
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এশিয়ান প্রফেশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোহাম্মদ সোহাগ ফতুল্লার কাশীপুরে দূর্গা পূজার স্থান ও মন্দিরের জায়গা নিয়ে বিরোধে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে হিন্দু নেতা স্বপন দাস কে গ্রেফতার করা হয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে নারায়ণগঞ্জের ৪ নেতা কাউন্সিলর নির্বাচিত‎ নবাগত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ বহুল কাঙ্ক্ষিত T.O. লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন শিক্ষাখাতকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে হবে: এমপি আজাদ আড়াইহাজারে পুকুর থেকে ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার মাদক নির্মূলে অভিযান চলবে: এসপি বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, আতঙ্কে মানুষ ফতুল্লায় ডাকাত চক্রের ২ সদস্য

রাষ্টীয় স্বীকৃতি মেলেনি ভাষাসৈনিকদের

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

রাজধানী ঢাকা সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় ভাষা আন্দোলনের সময় নারায়ণগঞ্জের ভ‚মিকা ছিল অগ্রগামী। ভাষা-সংগ্রামের প্রথম দিকেই নারায়ণগঞ্জে মফিজউদ্দিন আহম্মদকে আহ্বায়ক ও আজগর হোসেন ভ‚ঁইয়াকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেই দিনগুলোতে আন্দোলনে উত্তাল ছিল নারায়ণগঞ্জ। এক সময় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় বাংলা। ভাষা আন্দোলনে শহীদদের বিভিন্নভাবে স্মরণ রাখে রাষ্ট্র। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়েছেন বহু ভাষাসৈনিক। তবে ৭৪ বছর পেরুলেও সব ধরনের তালিকার বাইরে রয়ে গেছেন নারায়ণগঞ্জের ভাষাসৈনিকরা।
এ সম্পর্কে ভাষাসৈনিক আহমদ রফিক তার একটি প্রবন্ধে লিখেছেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের উত্তাপ ভালোভাবেই লেগেছিল নারায়ণগঞ্জ শহরে। যুবলীগ নেতা সফি হোসেন খান, একেএম শামসুজ্জোহা প্রমুখের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জে ছাত্র-জনতা ও শ্রমজীবী মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণে ভাষা-আন্দোলনের যে অধ্যায় রচিত হয়, তা ছিল নারায়ণগঞ্জ শহরের মানুষের জন্য গর্ব ও অহংকারের। ভাষা-আন্দোলনের আগুন শুধু নারায়ণগঞ্জ শহরে সীমাবদ্ধ ছিল না, শহরতলিসহ আশপাশের এলাকা পর্যন্ত ছিল এর বিস্তার।
কিন্তু ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছরেও নারায়ণগঞ্জের ভাষাসৈনিকদের রাষ্ট্রীয় কোনো স্বীকৃতি মেলেনি। এখন পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে ভাষাসৈনিকদের নামে কোনো স্থাপনা নেই। ভাষা আন্দোলনে যারা অবদান রেখেছিলেন, রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের তালিকাও প্রণয়ন করা হয়নি।
২০০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সুধীজন পাঠাগার ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত শতাধিক ব্যক্তির নাম সংগ্রহ করে একটি তালিকা তৈরি করে। এতে ১১০ জনের নাম রয়েছে। তারা হলেন-
খান সাহেব ওসমান আলী, মফিজউদ্দিন আহাম্মদ, আজগর হোসেন ভূইয়া, শফি হোসেন খান, একে এম শামসুজ্জোহা, এম এন এ আব্দুল আউয়াল, আফজাল হোসেন, মমতাজ বেগম, সৈয়দ আকমল আফেন্দি (দুলু আফেন্দি), গফুর চৌধুরী, ওয়াহিদ মিয়া, খাজা জহিরুল হক, বশির উদ্দিন আহমেদ, মোয়াজ্জেম হাসান জামিল, মুস্তাফা সারওয়ার, গোলাম মোর্শেদ ফারুকী, শাহাবউদ্দিন, মোসলেহউদ্দিন, ন‚রউদ্দিন আহমেদ, নাসিরুল্লাহ, মোতালিব, কবি হাফিজউদ্দিন, আব্বাছ আলী, জানে আলম, দাইমউদ্দিন আহাম্মেদ, সুলতান মাহমুদ মল্লিক, লুৎফর রহমান, মশিউর রহমান, বজলুর রহমান, আলমাছ আলী, আব্দুল লতিফ, রইসউদ্দিন, মজিবর রহমান, নাজির মোক্তার, হাবিবুর রশিদ, নুরুল ইসলাম মল্লিক, ফয়েজ আহাম্মদ, সম্বল মিয়া, বাদশা মিয়া, আক্কাস আলি, পিয়ার মাহমুদ, আব্দুল মান্নান, ক্বারি আমিরুল্লাহ, সরাফত আলী, বেগম মনিমালা, বেগম আয়েশা আক্তার জালাল, খোন্দকার নোয়াব আলী, রুহুল আমিন, জয়নাল আবেদীন খান, বিচারপতি বদরুজ্জামান, এমদাদ হোসেন শিল্পী, আবু নাসের ওয়াহিদ ও গোলাম আলী।
এছাড়া রয়েছেন- আবুল খায়ের, আনোয়ার, মোখলেসুর রহমান, ওয়ালিউদ্দিন, ইমাম হোসেন ঘাইনা, ডা. আব্দুর রহমান, টি হোসেন, সফিউদ্দিন মৃধা, সাংবাদিক হানিফ খান, জয়নাল আবেদীন খান, কালু (এমপি আউয়ালের ভাই), সিরাজ ভুঞা, হাজি মুজাফফর আলী, সাদে আক্কাছ, চন্নু গুহ, আমিনুল নোয়াব, আমানুল্লাহ খান, লোকমান হেকিম, মতিউর রহমান, শেখ মিজানুর রহমান, আব্দুস সালাম, আওলাদ হোসেন, নুরউদ্দিন, ফিরোজা বেগম, আয়েশা বেগম (রেনু), ইলা বকশী, বেগম মেহেরুন্নেছা (মেহের), রিজিয়া বেগম (রাওয়ালপিন্ডি), নাছির উদ্দিন আহমেদ, আমীর আলী মিয়া, শামসুর রহমান কুর্মি, হাবিবুর রহমান (টুক্কু), সফর আলী, কাজী আবুল কাশেম, সফিউদ্দিন আহাম্মেদ, আব্দুল হালিম, কালু ভুঞা, আলা বক্স, হাদিস মোল্লা, ন‚র মোহাম্মদ, বিলাস (পাগলা), মোনায়েম হোসেন, জানে আলম (ছোট), রমিজউদ্দিন, হাজি আফতাবউদ্দিন, ডা. মজিবুর রহমান, নিখিল সাহা, আবু বকর চৌধুরী, আব্দুল মান্নান, তাজামুল্লাহ খান, আইজউদ্দিন আহাম্মদ। এছাড়া ভাষাসৈনিক হিসেবে নাগিনা জোহা, খাজা মহিউদ্দিন, হাফিজুন্নেসার নাম রয়েছে।
এসব ভাষা শহীদের স্মৃতি রক্ষায় কোনো উদ্যোগ এখনো দেখা যায়নি। তারা বরাবরই অবহেলিত। তাদের কতজন জীবিত আছেন তার সঠিক তথ্যও নেই। বেঁচে থাকলেও তাদের কোনো খোঁজখবর রাখে না কেউ। সবার কাছে অপরিচিতই রয়ে গেছেন তারা।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বী বলেন, ভাষাসৈনিক যারা ছিলেন তাদের অধিকাংশই বেঁচে নেই। দু-একজন যারা বেঁচে আছেন তারা বরাবরই অবহেলিত। বিভিন্ন সময় যে তালিকার কথা বলা হয় সেখানে যারা ভাষাসৈনিক না তারাও তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এজন্য এগুলো নিয়ে বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তো আছেই। স্বাধীনতার আগেও তারা অবহেলিত ছিলেন। স্বাধীনতার পরেও ভাষা সৈনিকরা সে অর্থে ম‚ল্যায়ন পাননি। তাদের তালিকাও তৈরি করা হয়নি।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি