1. voiceofnarayanagnj24@gmail.com : Salim Ahmed Dalim : Salim Ahmed Dalim
  2. info@ajkerdeshkantho.com : Rabbi630 :
পরগাছা’ কাসেমী সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজকে নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে: গিয়াস - Ajker Deshkantho
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এশিয়ান প্রফেশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোহাম্মদ সোহাগ ফতুল্লার কাশীপুরে দূর্গা পূজার স্থান ও মন্দিরের জায়গা নিয়ে বিরোধে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে হিন্দু নেতা স্বপন দাস কে গ্রেফতার করা হয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে নারায়ণগঞ্জের ৪ নেতা কাউন্সিলর নির্বাচিত‎ নবাগত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ বহুল কাঙ্ক্ষিত T.O. লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন শিক্ষাখাতকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে হবে: এমপি আজাদ আড়াইহাজারে পুকুর থেকে ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার মাদক নির্মূলে অভিযান চলবে: এসপি বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, আতঙ্কে মানুষ ফতুল্লায় ডাকাত চক্রের ২ সদস্য

পরগাছা’ কাসেমী সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজকে নিয়ে ভয় দেখাচ্ছে: গিয়াস

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমীকে ‘পরগাছা’ বলে মন্তব্য করে আসনটির স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেছেন, “আমার প্রতিপক্ষ এক ব্যক্তিকে এই এলাকার মানুষ ভালো করে চিনে না, জানে না। কোনো মানুষের উপকার করে নাই। তাকে একটা পরগাছার মতো বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই এলাকার মানুষ ব্যক্তিকে চিনে, মার্কা চিনে না। ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের কারণে আমাকে ভালোবাসে। এখন তারা এই ভালোবাসাকে ভয়ে পেয়ে এলাকার সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, ডিশ ব্যবসায়ী, তেলচোরদের নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। আমাদের নেতাকর্মীদের ভয় দেখাচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে। কারণ হচ্ছে তাদের পায়ের নিচে মাটি নাই।”
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে কাশিপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “যারা সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এই থানা-এলাকাবাসী তাদের চিনে। ওই মানুষগুলোর সঙ্গে নির্বাচনে প্রচার করতে গেলে আমাদের প্রচার করা লাগবে না। এদের চেহারা দেখলেই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেবে। তারা যেই মাওলানা সাবের সঙ্গে থাকে; এই মাওলানা সাবের চরিত্র সম্পর্ক বুঝবে যে, তারা কী চরিত্রের আর কী চরিত্রবান মানুষগুলো নিয়ে ভোট চাইতে আসছে। তারাই যথেষ্ট, আমাদের ভোটের কোনো অভাব হবে না।”
গিয়াস উদ্দিন বলেন, “তারা এই এলাকার মানুষের পরিচিত না। কোনোদিন ১০ টাকার কোনো উন্নয়ন করে নাই, কোনো মানুষের উপকার আসে নাই। এখন আসছে ইলেকশনে ভোট চাইতে। স্বর্ণলতা চিনেন তো? স্বর্ণলতা ম‚ল গাছে গিয়ে বসলে ম‚ল গাছটা ধ্বংস করে দেয়। এই স্বর্ণলতাকে চিনতে হবে; ম‚ল গাছ যেন ক্ষতিগ্রস্ত করতে না পারে। নির্বাচনে আমার সঙ্গে যারা প্রতিযোগিতা করেছে, তাদের মধ্যে অনেকে অনেক উপকার করেছে। তারাও যদি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়, আমার কোনো আপত্তি নাই। কিন্তু পরগাছা স্বর্ণলতা যেন আমাদের ম‚ল গাছকে ধ্বংস করতে না পারে।”
তিনি আরও বলেন, ‘যারা আমাকে নির্বাচনে স্বতন্ত্র দাঁড়ানোর জন্য চেষ্টা করেছেন, তাদের মধ্যে বিএনপির আমার নেতৃবৃন্দ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন- আমার সঙ্গে থাকবে। তবে অনেকে ইতোমধ্যে আমার কাছ থেকে চলে গেছে। খোঁজ নিয়ে শুনলাম, যেই ক্যান্ডিডেটের সঙ্গে সন্ত্রাসীরা ঘুরে, তারা ফোন করে বলেছে, তুমি যে ঝুট-মাঠ চাও, নির্বাচনের পর সব তোমাকে দেবো। ২৪-এর আগ পর্যন্ত গোপনে আমাদের সঙ্গে ছিল, কিন্তু ৫ আগস্টের পর থেকে এরা বিভিন্নভাবে লুটপাট করেছে। বিভিন্নভাবে অবৈধ কাজে জড়িত ছিল। সেই কারণে তারা আমার পক্ষ ত্যাগ করে সন্ত্রাসীদের, স্বর্ণলতার পক্ষ নিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য শুধু অবৈধভাবে পয়সা কামানো। এরা যেন আপনাদের ভোট অন্যের কাছে বিক্রি করতে না পারে। আপনারা কেউ অন্যায় কাজে, চাঁদাবাজিতেও নাই। এরা আসবে আপনাদের বিক্রি করে খাওয়ার জন্য।’
গিয়াস উদ্দিন বলেন, “ফতুল্লাবাসী বুদ্ধিমান, আপনাদের বুদ্ধি-বিবেক সব আছে। তারা খারাপকে প্রত্যাখ্যান করে ভালো মানুষ নিয়ে চলে। এরা আসবে এখন কন্ট্রাক্ট নিয়ে, কে পাস করলে কাকে কোন সেক্টর দেবে। সেজন্য তারা মাথা বিক্রি করবে। আপনাদের মাথা যেন বিক্রি করতে না পারে। আপনার ভোট আপনি দেবেন, যাকে খুশি তাকে দেবেন। মার্কা দেখে ভোট নয়, মানুষ দেখে- যাকে পছন্দ হবে তাকে দেবেন। এটা আপনার ঈমানি দায়িত্ব। খারাপ মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। আপনার ম‚ল্যবান ভোট যদি একটা ভালো মানুষকে দেন, তার প্রতিদানও আপনি আল্লাহর কাছে পাবেন। জবাবদিহিতা করতে পারবেন। যদি বলে মার্কায় ভোট দেবেন, তাহলে খারাপ মানুষকে ভোট দিতে সে উৎসাহিত করছে। খারাপ মানুষের কাছ থেকে কোনো স্বার্থ নিয়ে তাকে মনোনয়ন দিয়েছে। এটা একটা শিশু বাচ্চাও বোঝে। এই কথা যারা বলে, তারা নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে তাদের স্বার্থে কথা বলে। আপনার বিবেক খাটিয়ে যে ভালো মানুষ, তাকে ভোট দেন। এটাই তো হওয়া উচিত।”
কাশিপুরের রাস্তাঘাট, গ্যাস, পানি নিষ্কাশন, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “আমি অতীতেও কাজ করেছি, এখনও চেষ্টা করব এগুলো সমাধান করার। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। মাদকের কবল থেকে এই এলাকাকে মুক্ত করার জন্য। বাইরে থেকে যে সন্ত্রাসীরা এসে এই এলাকার মানুষের ওপর জুলুম করে, তাদের প্রতিহত করা হবে। এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঢেলে সাজানো হবে। শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা হবে। শিক্ষার মান উন্নয়ন করা হবে।”
এ সময় তার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীসহ কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি