নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশীপুর নমপাড়া কালী মন্দিরের আসন্ন দূর্গা পূজা পালন নিয়ে শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দির এর জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কাশীপুর নামাপাড়া হিন্দু পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার দাস ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে গ্রেফতার হয়েছেন । তাকে দুর্গা পূজা ও মন্দিরের জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সমঝোতা করা হবে বলে ফতুলা থানার পুলিশ দিয়ে খবর পাঠিয়ে নমপাড়া হিন্দু পঞ্চায়েত নেতাদের পরিকল্পিত ভাবে থানায় নেওয়া হয় । এদের মধ্যে ছিলেন রাধেশ্যাম মাদবর , সুচীন্দ্র দাস , স্বপন কুমার দাস ও বিজয় সরকার । অপর পক্ষে থানায় ছিলেন বিশ্বজিৎ সরকার , লোকনাথ দাস , প্রীতম সরকার , উত্তম দাস , প্রাণ কৃষ্ণ পানা , অপূর্ব সরকার , খোকন বৈদ্য , সুস্ময় রায় সহ আরো কয়েকজন বহিরাগত । অথচ থানায় যাবার পর ওসির রুমে কোন প্রকার সমঝোতা না করেই পুলিশ প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র কারী দের সাথে মিলে ওই এলাকার হিন্দু বাড়ির পাশে এক সাংবাদিকদের সাথে কৌশলী আঁতাত করে পুলিশ স্বপন দাসকে আটক করে জেল হাজতে পাঠায় । যেখানে ভিত্তিহীন সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয় । অথচ সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় বাদী এই স্বপন দাস কে চিনে না । স্বপন দাসের এই ষড়যন্ত্র মূলক মামলায় তাকে বয়স কম দেখানো হলেও ভোটার আইডি কার্ড অনুযায়ী স্বপন দাসের বয়স ৬৭ বছর । ৬৭ বছরের বৃদ্ধ খেটে খাওয়া দর্জি হিন্দু পঞ্চায়েত নেতা স্বপন দাসকে গ্রেফতার করে তাকে চালাকি করে বয়স কম দেখানো হয়েছে । হিন্দু পঞ্চায়েত নেতা স্বপন দাসের এই ষড়যন্ত্র মূলক গ্রেফতার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ ও নারায়ণগঞ্জ পূজা উদযাপন কমিটি ও কাশীপুর নমপাড়া হিন্দু পঞ্চায়েত কমিটি প্রতিবাদ জানিয়েছেন । হিন্দু এই সংগঠন গুলো অবিলম্বে স্বপন কুমার দাসের মুক্তি দাবি করেছেন । তবে সর্ব শেষ জানা গেছে ফতুল্লা মডেল থানায় স্বপন দাসের গ্রেপ্তারের দিন তার প্রতিপক্ষ গ্রুপ বাইরে এসে মহাকাল সংঘের প্রীতম সরকার খোকন বৈদ্য ও লোকনাথ দাস । বিজয় সরকার, রাধে সাম মাদবর সুচীন্দ্র দাস কে হুমকি দিয়ে বলেছেন তাদের পরিণতি ও স্বপন দাসের মতো হবে । প্রতিপক্ষের এরকম প্রকাশ্যে হুমকিতে গ্রেফতারকৃত স্বপন দাসের পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে তারা সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেছেন ।