প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্লোগান দিতে দিতে মিছিল শুরু হলেও কিছুক্ষণ না যেতেই পুলিশ ও স্থানীয় জনতার উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত বিভিন্ন দিকে ছুটে পালিয়ে যান মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মিছিলটি শুরু হওয়ার পর আজমেরী ওসমানের পক্ষে নানা স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে মুহূর্তের মধ্যে মিছিলকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে আশপাশের গলি ও সড়ক দিয়ে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন তারা।
আজমেরী ওসমান প্রয়াত নাসিম ওসমান-এর ছেলে এবং সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমান-এর ভাতিজা। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত ছাত্র হত্যা মামলায় তার নামও এসেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানান, আমি বিষয়টির ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছি।
তবে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, মিছিল শুরুর চেয়ে শেষটা ছিল বেশি নাটকীয়।