1. voiceofnarayanagnj24@gmail.com : Salim Ahmed Dalim : Salim Ahmed Dalim
  2. info@ajkerdeshkantho.com : Rabbi630 :
সনাতন ধর্মালম্বীদের দুই দিন ব্যাপী স্নানোৎসব শুরু - Ajker Deshkantho
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এশিয়ান প্রফেশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোহাম্মদ সোহাগ ফতুল্লার কাশীপুরে দূর্গা পূজার স্থান ও মন্দিরের জায়গা নিয়ে বিরোধে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে হিন্দু নেতা স্বপন দাস কে গ্রেফতার করা হয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে নারায়ণগঞ্জের ৪ নেতা কাউন্সিলর নির্বাচিত‎ নবাগত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ বহুল কাঙ্ক্ষিত T.O. লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন শিক্ষাখাতকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে হবে: এমপি আজাদ আড়াইহাজারে পুকুর থেকে ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার মাদক নির্মূলে অভিযান চলবে: এসপি বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, আতঙ্কে মানুষ ফতুল্লায় ডাকাত চক্রের ২ সদস্য

সনাতন ধর্মালম্বীদের দুই দিন ব্যাপী স্নানোৎসব শুরু

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
সনাতন ধর্মালম্বীদের পুণ্য স্নানোৎসব উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার (২৫ মার্চ) নারায়ণগঞ্জের লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে ‘পাপমুক্তির’ মহাস্নান। প্রতি বছর চৈত্র মাসের শুক্লা তিথিতে দেশ-বিদেশের লাখো পুণ্যার্থী ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে সমবেত হন। তাদের বিশ্বাস, শুক্লাঅষ্টমী তিথিতে এ নদীতে স্নানের মাধ্যমে পাপমোচন ঘটে এবং ব্রহ্মার সন্তুষ্টি লাভ করা যায়।
উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা শংকর কুমার দে জানান, বুধবার বিকাল ৫টা ১৭ মিনিটে স্নান শুরু হবে এবং বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুর ২টা ৫৯ মিনিটে শেষ হবে। এবার লাঙ্গলবন্দের ২৪টি ঘাটে স্নান অনুষ্ঠিত হবে।
পৌরাণিক বর্ণনা মতে, ত্রেতা যুগে ব্রাহ্মণ জমদগ্নি ও রেণুকার পুত্র পরশুরাম মাতৃহত্যার পাপ থেকে মুক্তি পেতে তপস্যা করেন। পরে নির্দেশনা অনুযায়ী চৈত্র মাসের অষ্টমী তিথিতে এক পবিত্র নদীতে স্নান করে পাপমুক্ত হন। পরবর্তীতে সেই পুণ্যধারা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করতে তিনি লাঙ্গল দিয়ে হিমালয় থেকে সমভূমিতে জলধারা নিয়ে আসেন। বর্তমান নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় এসে তিনি লাঙ্গল চালানো বন্ধ করলে স্থানটির নাম হয় ‘লাঙ্গলবন্দ’।
স্নানোৎসব সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিবানী সরকার জানান, পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে ২৪টি স্নানঘাট সংস্কার, নদের কচুরিপানা অপসারণ এবং বিশুদ্ধ পানির জন্য ৪৭টি নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া নারীদের জন্য পৃথক পোশাক পরিবর্তন কক্ষ ও ২০০টি অস্থায়ী শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি বলেন, “পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তায় দুই শিফটে প্রায় ১১০০ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করবেন। নৌ পুলিশও মোতায়েন থাকবে যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।”
তিনি আরও জানান, পুরো তিন কিলোমিটার এলাকা সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবীর বলেন, “পুণ্যার্থীদের জন্য সেবাকেন্দ্রে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঈদের সময় হওয়ায় মহাসড়কে চাপ বাড়তে পারে, সে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হচ্ছে। পূজা উদযাপন পরিষদের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি বিএনপির ২৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন।”
তিনি আরও বলেন, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুটি ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসনের একজন এডিসি সার্বক্ষণিক দায়িত্বে থাকবেন। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর টিম টহলে থাকবে। এছাড়া ১০ শয্যার একটি অস্থায়ী হাসপাতাল, মেডিকেল টিম, রোগী পরিবহনের জন্য রিকশা ও ছয়টি অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
এদিকে তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে মেডিকেল ক্যাম্প ও পরিবহন সুবিধা চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মহানগর বিএনপির নেতা মাসুদুজ্জামান মাসুদ। তার উদ্যোগে বন্দর ঘাট ও নবীগঞ্জ গুদারাঘাট থেকে আগত পুণ্যার্থীদের যাতায়াতে লেগুনা বা অটোর ব্যবস্থা রাখা হবে বলে জানা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি