1. voiceofnarayanagnj24@gmail.com : Salim Ahmed Dalim : Salim Ahmed Dalim
  2. info@ajkerdeshkantho.com : Rabbi630 :
বহিষ্কৃত সাবেক প্রতিমন্ত্রী এমপিরা কী ফিরতে পারবেন? - Ajker Deshkantho
বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এশিয়ান প্রফেশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোহাম্মদ সোহাগ ফতুল্লার কাশীপুরে দূর্গা পূজার স্থান ও মন্দিরের জায়গা নিয়ে বিরোধে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে হিন্দু নেতা স্বপন দাস কে গ্রেফতার করা হয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে নারায়ণগঞ্জের ৪ নেতা কাউন্সিলর নির্বাচিত‎ নবাগত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ বহুল কাঙ্ক্ষিত T.O. লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন শিক্ষাখাতকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে হবে: এমপি আজাদ আড়াইহাজারে পুকুর থেকে ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার মাদক নির্মূলে অভিযান চলবে: এসপি বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, আতঙ্কে মানুষ ফতুল্লায় ডাকাত চক্রের ২ সদস্য

বহিষ্কৃত সাবেক প্রতিমন্ত্রী এমপিরা কী ফিরতে পারবেন?

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির বহিষ্কৃত সাবেক এমপি ও প্রতিমন্ত্রীদের ভবিষ্যৎ কী?
নির্বাচন শেষ হতেই এসব নেতা আবারও দলে ফেরার চেষ্টা শুরু করেছেন বলে দলীয় স‚ত্রে জানা গেছে। তবে তাদের সেই প্রত্যাবর্তন আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে রয়েছে ব্যাপক অনিশ্চয়তা।
নির্বাচনে অংশ নিয়ে বহিষ্কৃত হওয়া নেতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। অতীতে ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ নিয়ে গঠিত এই আসনটির সীমানা পরিবর্তনের ফলে ফতুল্লা পড়ে নারায়ণগঞ্জ-৪ এবং সিদ্ধিরগঞ্জ চলে যায় নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে। এর ফলে গিয়াসউদ্দিন দুইটি আসন থেকেই নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন।
এদিকে বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। নির্বাচনী ফলাফলও তার জন্য সুখকর হয়নি। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে তিনি পেয়েছেন মাত্র ২০ হাজার ৩৭৯ ভোট, আর নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে ভোটের সংখ্যা ছিল মাত্র ৪ হাজার ৭৭৯। দুই আসনেই তিনি জামানত হারান।
একই অবস্থা নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের আরেক সাবেক এমপি ও প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিমের। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নামলেও ভোটের দিন সকালে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৯৬, যা জামানত রক্ষার জন্য যথেষ্ট ছিল না। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকেও বহিষ্কার করে বিএনপি।
নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন চারবারের সাবেক এমপি আতাউর রহমান খান আঙ্গুর। নির্বাচনের আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তার যোগাযোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াননি। তিনি পেয়েছেন মাত্র ১৮ হাজার ৭৪৪ ভোট। তার জামানতও বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন শেষে এসব নেতাদের অনেকে দলে ফেরার জন্য তোরজোর শুরু করেছেন। দলীয় স‚ত্র বলছে, বহিষ্কৃত নেতাদের বিষয়ে বিএনপি এখনো কঠোর অবস্থানেই রয়েছে। শিগগির তাদের দলে ফেরার সম্ভাবনা খুবই কম। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব মনে করছে, একবার শৃঙ্খলা ভঙ্গের পর সহজে ক্ষমা দিলে ভবিষ্যতে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তাই হয়তো সিদ্ধান্ত আসলেও তা দেরী হতে পারে বলে জানান নেতারা।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জের তৃণম‚ল নেতাকর্মীদের মধ্যেও অসন্তোষ স্পষ্ট। তাদের মতে, বহিষ্কারের পর আবার দলে দ্রæত ফিরিয়ে নেওয়া হলে তা নেতাকর্মীদের মধ্যে ভুল বার্তা দেবে। এতে ভবিষ্যৎ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়বে এবং দল আরও সাংগঠনিক সংকটে পড়বে। তবে তাদের শাস্তির আইতায় এনে তাদের দলে ফেরানোর পক্ষেও নেতাকর্মীরা কারণ দলের সাংগঠনিক শক্তি এতে বাড়বে। যেহেতু তারা বিএনপির সম্পদ ও দীর্ঘ এত বছরেও তারা আওয়ামীলীগে না গিয়ে বা আপোষ না করে বরং আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন এবং মামলা হামলার শিকার হয়েছেন তাই তাদের কিছুটা শাস্তির আওতায় এনে তাদের দলে ফেরানো উচিত মনে করেন নেতাকর্মীরা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি