1. voiceofnarayanagnj24@gmail.com : Salim Ahmed Dalim : Salim Ahmed Dalim
  2. info@ajkerdeshkantho.com : Rabbi630 :
জামায়াত জোটে প্রার্থী নিয়ে চরম দ্ব›দ্ব-কোন্দল - Ajker Deshkantho
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এশিয়ান প্রফেশনাল অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড পেলেন মোহাম্মদ সোহাগ ফতুল্লার কাশীপুরে দূর্গা পূজার স্থান ও মন্দিরের জায়গা নিয়ে বিরোধে ষড়যন্ত্র মূলক ভাবে হিন্দু নেতা স্বপন দাস কে গ্রেফতার করা হয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে নারায়ণগঞ্জের ৪ নেতা কাউন্সিলর নির্বাচিত‎ নবাগত পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমানের দায়িত্ব গ্রহণ বহুল কাঙ্ক্ষিত T.O. লাইসেন্স পেল বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন শিক্ষাখাতকে আরও উন্নত ও শক্তিশালী করতে হবে: এমপি আজাদ আড়াইহাজারে পুকুর থেকে ৮ বছরের শিশুর মরদেহ উদ্ধার মাদক নির্মূলে অভিযান চলবে: এসপি বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, আতঙ্কে মানুষ ফতুল্লায় ডাকাত চক্রের ২ সদস্য

জামায়াত জোটে প্রার্থী নিয়ে চরম দ্ব›দ্ব-কোন্দল

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জামায়াত সহ ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী নিয়ে দ্ব›দ্ব কোন্দল দেখা দিয়েছে। একই আসনে জোট থেকে চার জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। যদিও এই আসনে ১০ দলীয় জোট থেকে বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের শাহজাহান শিবলীকে প্রার্থীতা দেওয়া হয়। এতে নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূইয়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও কিছুদিন পর নাটকীয়ভাবে ফের নির্বাচনে নামেন তিনি। এ ঘটনায় তাকে অবৈধ প্রার্থী আখ্যা দিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের শাহজাহান শিবলী। এদিকে জামায়াতে ইসলামী দলটির প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূইয়া নিজেকে জোটের প্রার্থী দাবি করছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী মামুনুল হককে ‘ধোঁকাবাজ’ আখ্যা এবং জামায়াতে ইসলামীর ভেতরে ‘শয়তানী’ রয়েছে বলে তীর্যক মন্তব্য করেছেন তিনি। এতে করে এই আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে চরম দ্ব›দ্ব কোন্দল দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন ও বিএনপি দলের সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম।
এ আসনে জামায়াতে ইসলামী সহ ১০ দলীয় জোট থেকে ৪ জন রয়েছেন- তারা হলেন-জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভ‚ঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. শাহজাহান, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১০ দলীয় জোট থেকে রিকশা প্রতিকের প্রার্থী শাহজাহান শিবলীকে প্রার্থী দেওয়া হয়। তবে জোটের আরও তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেনি। এদিকে নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ইকবাল হোসেন। বোনের অসুস্থতার কথা জানিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে সময়মতো জেলা নির্বাচন কমিশনে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে পারেননি তিনি। পরে তিনি নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন। কিন্তু অনেক নাটকীয়তা শেষে কিছুদিন পর তিনি ফের নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ইকবাল হোসেন ভূইয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন এনসিপির সহযোগী সংগঠন ও যুব শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক তুহিন মাহমুদ। তিনি সোনারগাঁওয়ে জোটের সমর্থকদের নিয়ে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে মিছিল করেন। এছাড়া জামায়াতে ইসলামী দলের নেতাকর্মীরাও তার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় ভোট চেয়েছেন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর জনসভায় দলটির সেক্রেটারি জেনারেল নারায়ণগঞ্জ-১,২ ও ৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে ইকবাল হোসেন ভূইয়া সহ অন্যদের সবার কাছে পরিচয় করিয়ে দেন। এছাড়া জোটের প্রার্থী হিসেবে বাকি দুটি আসনে এনসিপি ও খেলাফতে মজলিসের প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেন।
তবে এই ঘটনার মাত্র একদিন পর ৫ ফেব্রুয়ারী সংবাদ সম্মেলন করে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে অবৈধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের প্রার্থী শাহজাহান শিবলী বলেন, ১১ দলীয় জোট লিখিতভাবে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে এবং এর বৈধ কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে। বিপরীতে ড. ইকবাল হোসেন কোনো লিখিত অনুমোদন ছাড়াই আমাদের সমর্থকদের বø্যাকমেইল করছেন এবং নিজেকে জোটের প্রার্থী হিসেবে জাহির করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি কখনোই ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী নন। তিনি একজন অবৈধ ও বিদ্রোহী প্রার্থী।
এ বিষয়ে ড. ইকবাল হোসেন ভুঁইয়া বলেন, কেন্দ্র থেকে আমাকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্দেশনা দেওয়া হলে আমি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তা প্রত্যাহার করি। পরে জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীরের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাকে পুনরায় প্রার্থিতা বহাল রেখে নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং মাঠে প্রচারণা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। দলীয় ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে আমি বর্তমানে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছি এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবেই প্রচারণা চালাচ্ছি।
অন্যদিকে গত ৬ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনী প্রচারণা শেষে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী বলেছেন, “মামুনুল হক ধোঁকাবাজ, আমাকে বলেছিলো ১১ দলের জোটে আপনাকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন দেওয়া হবে। কিন্তু করছে ধোঁকাবাজি। এসব হুজুরদের দিয়ে ইসলাম চলবে না।”
নান্নু মুন্সী বলেন, “কিছু দল আছে, মুখে ইসলাম বললেও অন্তরে ইসলাম নেই। জামায়াত ইসলামের উপরে ইসলাম আর ভিতরে শয়তানী। একজন ইসলামী দলের নেতা হয়ে উল্টাপাল্টা কথা বললে আমরা তা মেনে নিবো না।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১০ দলীয় জোটের একাধিক প্রার্থীদের মধ্যেকার চরম দ্ব›দ্ব কোন্দালের ফলে প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থীরা বেশ সুবিধা পেয়ে যাবে। আর জোটের ভোট ভাগ হয়ে যাবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি