জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ
রূপগঞ্জ প্রতিনিধি:
জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বর্ণাঢ্য র্যালি করেছে জেলা ছাত্রদল। নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমানের উদ্যোগ ও নেতৃত্বে সোমবার সকালে উপজেলার ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় এ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালিকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় জেলা ও উপজেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। পরে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা গাউছিয়া এলাকার বলাইখা থেকে শুরু হয়ে সাওঘাট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশ নেন। এ সময় পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। র্যালিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, রূপগঞ্জ উপজেলা ও স্থানীয় ইউনিটের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।
র্যালির নেতৃত্ব দেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান। কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
র্যালি শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মাসুদুর রহমান বলেন, “জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ছাত্রদল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে তরুণ সমাজকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
এ সময় বক্তারা বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকে জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
র্যালিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও রূপগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ছাত্রদল নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সমর্থক অংশ নেন।
বর্ণাঢ্য র্যালিটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ প্রদক্ষিণ করায় স্থানীয়দের মধ্যেও কর্মসূচিটি ব্যাপকভাবে নজর কাড়ে। তবে পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।