1. voiceofnarayanagnj24@gmail.com : Salim Ahmed Dalim : Salim Ahmed Dalim
  2. info@ajkerdeshkantho.com : Rabbi630 :
কলেজ ছাত্রের রগ কর্তনের ঘটনায় যুবদল নেতা সহ আসামি ১০ - Ajker Deshkantho
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন

কলেজ ছাত্রের রগ কর্তনের ঘটনায় যুবদল নেতা সহ আসামি ১০

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে এক কলেজ ছাত্রের পায়ের রগ কেটে গুরুতর জখম করার ঘটনায় যুবদল নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহার স‚ত্রে জানা যায়, বন্দর থানাধীন জিওধরা এলাকায় মো. আলমগীর হোসেন (৫২) তার মালিকানাধীন জমিতে ভেকু দিয়ে বালু ভরাটের কাজ করছিলেন। এ সময় অভিযুক্তরা তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা কাজ বন্ধ করে দেয় এবং হুমকি-ধামকি দিতে থাকে।

এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলে গত ১৭ এপ্রিল দুপুরে আলমগীর হোসেনের বড় ভাই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৫) আল মদিনা জামে মসজিদের সামনে গেলে অভিযুক্তরা তাকে গালিগালাজ করে। তিনি প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করা হয়।
পরে তার ডাক চিৎকারে ভাতিজা কলেজ ছাত্র মো. আব্দুর রহমান আসিফ এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে এক অভিযুক্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার বাম পায়ের রগ কেটে দেয়। পরে অন্যরা তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর জখম করে।

আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নারায়ণগঞ্জের ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্তরা হলেন— মো. পারভেজ (২২), মো. জয়নাল (২৮), মো. সজীব (২৫), মো. মানিক (৪০), মো. দ্বীন ইসলাম (৩৬), মো. সাদ্দাম (২২), মো. মারুফ (২২), শাহ আলম ওরফে জুবায়েদ আলম, আরিফ (২৮) ও আরাফাত (১৯)।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মামলার ৫ নম্বর আসামি দ্বীন ইসলাম ও তার অনুসারীরা রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধম‚লক কর্মকাÐে জড়িত। এতে এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, প‚র্বে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা এই চক্রটি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যুবদলের পরিচয়ে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে এবং একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ গড়ে তুলেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বন্দর থানার পুলিশ জানায়, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন
© ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক আজকের দেশকন্ঠ
পোর্টাল বাস্তবায়নে : আজকের দেশকন্ঠ আইটি